Text size A A A
Color C C C C
পাতা

কী সেবা কীভাবে পাবেন

উপজেলা পরিসংখ্যান অফিসের কার্যাবলী ও নাগরিক সেবা সমূহ নিম্নরূপঃ

সকল প্রকার শুমারী পরিচালনা করা (আদমশুমারী, কৃষি শুমারী, অর্থনৈতিক শুমারী ইত্যাদি)।


কৃষি সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য (স্থায়ী ও অস্থায়ী ফসল) সংগ্রহ পূর্বক হেডঅফিসেপ্রেরণ করা। (৬ টি প্রধান ফসল ও ১১৮টি অপ্রধান ফসল)। 


প্রধান প্রধান ফসল ধান, পাট, গম, আলু ইত্যাদির মোট আয়তন এবং কর্তন পূর্বক মোট উৎপাদন নিরূপন করা।
দাগগুচ্ছ হইতে বিভিন্ন উপাত্ত্ব সংগ্রহ করা। (২১টি দাগগুচ্ছ)।


সেম্পলভাইটালরেজিষ্ট্রেশন সিষ্টেম (এসভিআরএস) এর আওতায় জন্ম-মৃত্য, বিবাহ, তালাক,আগমন,বর্হিগমন ও জন্মনিয়ন্ত্রন ইত্যাদি পরিসংখ্যান সংগ্রহ করা। 


খানার আয়-ব্যয় জরিপের মাধ্যমে পরিবার সমূহের অর্থনৈতিক অবস্থা, দারিদ্রতা ইত্যাদি পরিমাপ করা।
এমআইসি এস জরিপের মাধ্যমে শিশু মৃত্যু, বিবাহ, বিশুদ্ধ পানি ও পয়ঃনিস্কাশন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পরিবার পরিকল্পনা, পুষ্টি ইত্যাদি পরিসংখ্যানসংগ্রহকরা।


উপজেলার পৌরসভা ও সকল ইউনিয়ন পরিষদের বাজেট সংগ্রহ করা।
প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে উপজেলার বিভিন্ন ফসল ও সম্পদের ক্ষয়-ক্ষতির হিসাব নিরূপন করা।
প্রধান ফসলে (আউশ, আমন, বোরো, গম, পাট, আলু, ও ভুট্টা) ফসলের আয়তনের অগ্রিম পূর্বাভাস রিপোর্ট প্রদান।

 

 

উপজেলা, পৌরসভা, ইউনিয়ন ও গ্রামওয়ারী জনসংখ্যা, খানা সংখ্যা, শিক্ষারহার ইত্যাদি সেবাসমূহ উপজেলা পরিসংখ্যান অফিসে সরাসরি আবেদনের মাধ্যমেপাওয়া যাবে।এবং বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো হতে প্রকাশিত প্রকাশনা সমূহনির্ধারিত মূল্যে ঢাকা সদর দপ্তর হতে পাওয়া যাবে।

 

 

সেবা এবং ধাপসমুহ

 

  • নমুনা দাগগুচ্ছ জরিপঃ- এই জরিপের মাধ্যমে ফসলী জমি, পতিত জমি, বসতি জমি, স্থায়ী ফসলাধীন, খাল, বিল, নদ-নদী ইত্যাদির অধীনে জমির আয়তন নির্ণয় করা হয়।

 

  • প্রধান প্রধান ফসল কর্তনঃ- প্রধান প্রধান ফসল কর্তনের মাধ্যমে একর প্রতি ফলন এবং অর্থকরী ও খাদ্যশস্য উৎপাদন এর  মোট পরিমাণ নির্ণয় করা হয়।

 

  • স্যাম্পল ভাইটাল রেজিস্ট্রেশন জরিপঃ- এই জরিপের মাধ্যমে দেশের জনসংখ্যা ও জন্মমৃত্যুর হার নির্ণয় করা হয়।

 

  • আদমশুমারিঃ- এই শুমারির মাধ্যমে দেশের মোট জনসংখ্যা, পুরুষ ও মহিলার সংখ্যা এবং শিক্ষিতের হার নির্ণয় করা হয়।

 

  • কৃষি মজুরি তথ্য সংগ্রহঃ- মজুরি তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে কৃষি কাজে নিয়োজিত কৃষকের মজুরি এবং ফসল উৎপাদন খরচ নির্ণয় করা হয়।

 

  • খানায় আয়ব্যয় নির্ধারণ জরিপঃ- এই জরিপের মাধ্যমে মাথাপিছু গড় আয়ব্যয় নির্ধারণ করা হয়।

 

              উপরোক্ত তথ্যাবলী স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে সরবরাহ করা হয়। সরবরাহকৃত তথ্য সরকারের নীতি নির্ধারক, পরিকল্পনাবিদ, দাতাসংস্থা, উন্নয়নকর্মী ও গবেষকগণ অতীব গুরুত্বের সাথে ব্যবহার করে থাকেন। জাতীয় পর্যায়ে আর্থসামাজিক উন্নয়ন , সর্বোপরি দেশের জি,ডি,পি নির্ণয়ে উপরোক্ত জরিপ কার্যাবলী সহায়ক ভূমিকা পালন করে থাকে।